লিখেছেন: [BDS Bulbul Ahmed]
সময়: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ | দুপুর ১:৩০
শুভ নববর্ষের শুভক্ষণে দেশের প্রান্তিক কৃষকদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার কৃষকদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ হস্তান্তরের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। ফ্যামিলি কার্ড ও ক্রীড়া কার্ডের পর এটি বর্তমান সরকারের আরও একটি সফল জনকল্যাণমুখী উদ্যোগ।
কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, এই কার্ডের মাধ্যমে একজন সুবিধাভোগী কৃষক বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা সরাসরি নগদ অর্থ সুবিধা পাবেন। এছাড়া কার্ড ব্যবহার করে কৃষকরা ডিলারদের কাছ থেকে সুলভ মূল্যে:
উন্নত মানের সার ও বীজ কিনতে পারবেন।
মৎস্য ও প্রাণিখাদ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।
সরকারি আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ও সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
শুরুতে দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে এই কার্যক্রমের প্রাক-পাইলটিং শুরু হয়েছে। এর আওতায় প্রথম ধাপে ২০ হাজার ৬৭১ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক এই স্মার্ট কার্ডের আওতায় আসছেন। টাঙ্গাইলের পাশাপাশি আজ দেশের আরও ৯টি স্থানে (পঞ্চগড়, বগুড়া, ঝিনাইদহ, পিরোজপুর, কক্সবাজার, রাজবাড়ী, মৌলভীবাজার ও জামালপুর) এই কার্যক্রমের সূচনা করা হয়েছে।
বিএনপি সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল কৃষিবান্ধব রাষ্ট্র গঠন। খালখনন কর্মসূচির সফল পুনর্জাগরণের পর ‘কৃষক কার্ড’ প্রবর্তনকে দেশের কৃষি অর্থনীতিতে একটি গেম-চেঞ্জার হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং সরকারি প্রণোদনা সরাসরি প্রকৃত কৃষকের হাতে পৌঁছাবে।
বিডিএস পর্যবেক্ষণ: ডিজিটাল বাংলাদেশ ও স্মার্ট কৃষির পথে এই কার্ড একটি বড় মাইলফলক। বিশেষ করে বৈশ্বিক মন্দা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে যখন নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, তখন কৃষকদের এই নগদ সহায়তা ও সুলভে উপকরণ পাওয়ার সুযোগ গ্রামবাংলার অর্থনীতিতে প্রাণসঞ্চার করবে।
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
| আর্থিক সুবিধা | বার্ষিক ২,৫০০ টাকা নগদ। |
| প্রথম ধাপের সুবিধাভোগী | ২০,৬৭১ জন কৃষক। |
| পাইলট প্রকল্পের এলাকা | দেশের ১১টি কৃষি ব্লক। |
| উদ্বোধনকারী | প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। |
| উপকরণ সুবিধা | সার, বীজ, মৎস্য ও প্রাণিখাদ্য এবং মেশিন। |
টাঙ্গাইলের সুরুজ এলাকা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি দ্রুতই সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। কৃষকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ‘কৃষক কার্ড’ এক নতুন আশার নাম।
আপনার মতামত: আপনি কি মনে করেন ২,৫০০ টাকার এই বার্ষিক সহায়তা প্রান্তিক কৃষকদের জন্য যথেষ্ট? নাকি এই সুবিধার পরিমাণ আরও বাড়ানো উচিত? কমেন্টে জানান।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |